Arpita Mukherjee: ‘মাকে দেখবেন’, মন্তব্য করে ফের ট্রোলড পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা

স্টাফ রিপোর্টার: শনিবার ইডি’র অফিসারদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা সামলেছেন। রবিবার সকালে গ্রেপ্তারের পরও তাকে তেমন বিচলিত দেখায়নি। কিন্তু হাসপাতালে মেডিক‌্যাল পরীক্ষার পর সেই অর্পিতা মুখোপাধ‌্যায়ই সংবাদমাধ‌্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বললেন, “মাকে একটু দেখবেন”। রবিবার জোকা ইএসআই হাসপাতালে মেডিক‌্যাল পরীক্ষা করাতে এসে একথাই বলতে শোনা গেল মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। আর তারপরই এই নিয়ে নতুন করে আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হল মিম, শুরু হল ট্রোলিং। ঝড়ের গতিতে তা শেয়ারও হতে থাকল।
ওই মডেলকে কটাক্ষ করে কেউ লিখলেন, “এতদিন আপনি মাকে দেখেননি। আগামী দিনেও যে দেখবেন না, সেটা বোঝাই গিয়েছিল। তা আপনি নিজে মুখে স্বীকারও করে নিলেন।” কেউ আবার বললেন, “কয়েকটা বান্ডিল রেখে গেলে নিজের মায়ের থেকে বেশি যত্নে রাখতাম।” আবার কেউ বললেন, “মায়ের কথা শুনলে আজ থাকতেন শ্বশুরবাড়ি। তখন মায়ের কথা মনে পড়লে চলে আসতেন বাপের বাড়ি।”
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের ‘উপহার’, জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমানোর ভাবনা কেন্দ্রের]
দু’হাজার, পাঁচশো টাকার নোটে ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার পাহাড় উদ্ধারের ছবি প্রকাশের পর থেকেই চর্চায় আসে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম। শুক্রবার রাত থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে ছেয়ে যায় এই মডেলেকে নিয়ে তৈরি ট্রোলিং। মডেলের বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবির পাশাপাশি শেয়ার হতে শুরু করে খুব সাধারণ ভাবে জীবনযাপন করা তাঁর মায়ের ছবি। এই নিয়ে বিদ্রুপও করা হয় মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এই মডেলকে।
যদিও অর্পিতার মা মিনতি মুখোপাধ্যায়ের গলায় শোনা গিয়েছিল মেয়েকে নিয়ে চিন্তার কথা। মিনতি দেবী জানিয়েছিলেন, ‘‘অভিনয় এবং মডেলিং করার কারণেই মেয়ে বাড়ির বাইরেই থাকতো। বাড়িতে আমি একাই থাকি। তবে, মাঝে মধ্যে মেয়ে আমাকে দেখতে আসত।’’ গ্রেপ্তার এবং নগদ ২১ কোটি টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘‘টাকা উদ্ধারের ঘটনা খবর দেখে জানতে পারি। কাদের টাকা, কোথা থেকে এত টাকা এল, এতকিছু ব্যাপার জানি না।’’
[আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তে বদল, রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণ প্রাপকের তালিকা থেকে বাদ অমর্ত্য সেনের নাম]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *