রাজ্যের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের বিরোধিতা নয়, জেলা ভিত্তিক সমস্যাকেই গুরুত্ব সিপিএমের ইস্তাহারে

জেলাভিত্তিক স্থানীয় ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে বিধানসভা ভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের পথে সিপিএম। ইস্তাহারের স্থানীয় ইস্যুকে তুলে ধরতে চাইছে আলিমুদ্দিন। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “আমাদের রাজ্যের ইস্তাহার যেমন হয় তেমনই বিধানসভা ক্ষেত্র ভিত্তিক ইস্তাহার স্থানীয় ইস্যু নিয়ে হবে। সেই পরিকল্পনা আমরা করছি।” এবার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ইস্তাহার তৈরি করে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতে চাইছে সিপিএম। সেই জন্য এলাকাভিত্তিক সমস্যাকে তারা তুলে ধরছে। মানুষের প্রতিদিনের যে সমস্যা সেটা তুলে ধরে বামেরা ক্ষমতায় এলে কী কী করতে চায় তা তুলে ধরা হবে। রাজ্যের ইস্তাহারে গুরুত্ব পেতে চলেছে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-শিল্প এবং কর্মসংস্থান। থাকবে চাকরি দুর্নীতির বিষয়টিও।
এছাড়া, ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি রোখার ডাকও দেওয়া হবে। মতুয়াদের সমস্যা নাগরিকত্ব, এছাড়া পরিবেশের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে। এসবকে সামনে রেখেই সরকার বদলের ডাক দেওয়া হবে। বামেরা বিকল্প কী দিতে চায় সেটাও পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হবে ইস্তাহারে। বিভিন্ন এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে দিতে বলা হয়েছে পার্টির জেলা নেতাদের। সম্প্রতি পার্টির কর্মসূচি বাংলা বাঁচাও যাত্রাতেও জেলাভিত্তিক স্থানীয় ইস্যুগুলিকে তুলে ধরা হয়েছিল প্রচারে। সেই একই কাঠামো রাখা হচ্ছে ইস্তাহারে। তবে কোনওভাবেই ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথীর মতো জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির বিরোধিতা না করে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিকল্প আর্থিক সহায়তার প্রস্তাবও থাকতে পারে বলে সূত্রের খবর। সম্প্রতি তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে কার্যত বিদ্রুপ করেও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম দাবি করেছিলেন, বামেরা ক্ষমতায় এলে মহিলাদের এর চেয়ে ঢের বেশি টাকা দেওয়া সম্ভব।
সম্প্রতি পার্টির কর্মসূচি বাংলা বাঁচাও যাত্রাতেও জেলাভিত্তিক স্থানীয় ইস্যুগুলিকে তুলে ধরা হয়েছিল প্রচারে। সেই একই কাঠামো রাখা হচ্ছে ইস্তাহারে। তবে কোনওভাবেই ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথীর মতো জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির বিরোধিতা না করে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিকল্প আর্থিক সহায়তার প্রস্তাবও থাকতে পারে বলে সূত্রের খবর।
তবে বিধানসভা ভিত্তিক স্থানীয় ইস্যুর মধ্যে নাগরিক পরিষেবা এবং এলাকার জ্বলন্ত সমস্যার বিষয়গুলিই তুলে ধরা হবে। দলের শূন্যের গেরো কাটাতে মরিয়া সিপিএম। তাই রাজ্যভিত্তিক ইস্তাহারের পাশাপাশি বিধানসভা ভিত্তিক ইস্তাহার তৈরি করে মানুষের কাছে দলের বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরতে চাইছে তারা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর কথায়, পিছিয়ে পড়া গরিব মানুষ, শিশু শ্রমিককে দিয়ে কাজ করানো, পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে যেভাবে, গণপরিবহণ ধ্বংস-এসব কিছুও থাকবে আমাদের ইস্তাহারে।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *