শশীর বাড়িতে হামলার পুলিশি রিপোর্টে ‘অসন্তুষ্ট’ কমিশন, ফের চাওয়া হল তথ্য

মোদির ব্রিগেডের দিন গিরিশ পার্কে অশান্তির ঘটনায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ডাকা হয়নি? উল্লেখ নেই পুলিশের রিপোর্টে। পুলিশ রিপোর্ট নিয়ে অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে আবার রিপোর্ট চাইল কমিশন। সিইও দপ্তর সূত্রে খবর, পুলিশের রিপোর্টে বলা হয়েছে কত এফআইআর হল, কতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু আগাম সতর্কতা কী ছিল? একঘণ্টা ধরে অশান্তি চললেও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ডাকা হয়নি তার উল্লেখ নেই। সেই কারণে পুনরায় রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ, ব্রিগেডে মোদির সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে বিজেপি কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। অভিযোগ, গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থাকা ‘বয়কট বিজেপি’ ব্যানার ছিড়ে ফেলেন বিজেপি কর্মীরা। আর তা থেকেই অশান্তি ব্যাপক আকার নেয়। শুধু তাই নয়, শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন মন্ত্রী। ইটের আঘাতে তিনিও আহত হন। শশী পাঁজার অভিযোগ, “বহিরাগতদের নিয়ে ব্রিগেডে সভা করছে বিজেপি। আর এই বহিরাগতরাই বাস থেকে নেমে আমার বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ছিড়ে পালিয়ে গিয়েছে। কেন? সাহস থাকলে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মোকাবিলা করুক। এত কাপুরুষ যে মেন রাস্তার উপর আমার বাড়ির ঢোকার মুখে ওরা ভাঙচুর করেছে। ইট ছুড়েছে, আমার বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে গিয়েছে। আমার গায়ে লেগেছে, আমাকে খুনের ষড়যন্ত্র করছে ওরা।”
প্রথমে গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। বিএনএসের একাধিক ধারা যেমন খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের মারধর, দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর, বেআইনি জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়। বিজেপির অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে পদ্মশিবিরের কর্মী-সমর্থকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গিরিশ পার্ক থানার সামনে বিক্ষোভও দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *