‘উনি যেভাবে আসেন, মহিলারা অস্বস্তি বোধ করেন’, রাহুল গান্ধীকে ‘নারীবিদ্বেষী’ কটাক্ষ কঙ্গনার

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কংগ্রেস সাংসদ যেভাবে আচার-আচরণ করেন সেটা মহিলাদের পক্ষে খুবই অস্বস্তিকর। কঙ্গনার তোপ, খানিকটা গুণ্ডাদের মতো আচরণ করেন বিরোধী দলনেতা। অভিনেত্রীর এহেন বিস্ফোরক মন্তব্যকে তুলোধোনা করেছেন শিব সেনা (উদ্ধব শিবির) সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী।
ঘটনার সূত্রপাত কংগ্রেসের এক প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে। জ্বালানি সংকটের প্রতিবাদ চলাকালীন সংসদের মকর দ্বারে বসে চা-বিস্কুট খাচ্ছিলেন রাহুল। কংগ্রেসের অন্যান্য সাংসদরাও সেখানে ছিলেন। সেই আচরণ ঘিরে নানা মহলেই সমালোচনা শুরু হয়। অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের অনেকে দাবি করেন এহেন আচরণের জন্য রাহুলকে ক্ষমা চাইতে হবে। এবার সেই আচরণের বিরোধিতা করতে গিয়েই লোকসভার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে বসলেন কঙ্গনা।
বুধবার সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিনেত্রী-সাংসদ বলেন, “রাহুল গান্ধী একেবারে পথের গুণ্ডাদের মতো সংসদে আসেন। আমরা মহিলারা সেই দেখে অত্যন্ত অস্বস্তিতে পড়ে যাই। অত্যন্ত রূঢ়ভাবে আমাদের সঙ্গে উনি কথা বলেন। গোটা বিষয়টা অত্যন্ত অসম্মানজনক।” মাণ্ডির সাংসদের কথায়, “রাহুলের শেখা উচিত বোন প্রিয়াঙ্কার থেকে। প্রিয়াঙ্কার ব্যবহার অত্যন্ত সুন্দর। কিন্তু রাহুল গান্ধী একেবারে লজ্জাজনক।”
জনপ্রতিনিধি তথা বিরোধী দলনেতার আচরণে মহিলারা অস্বস্তি বোধ করছেন, এহেন বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে যায়। রাহুলের পাশে দাঁড়িয়ে প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেন, “ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক মতপার্থক্য় থাকতেই পারে। কিন্তু রাহুলজির বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ আনাটা একেবারে ভুল। মহিলাদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রয়েছে তাঁর। নারী ক্ষমতায়নকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেন তিনি। যদিও গোটা বিতর্কে রাহুল নিজে মুখ খোলেননি।
উল্লেখ্য, অতীতেও রাহুলকে বহুবার ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন বলি অভিনেত্রী-সাংসদ। কখনও মাদকাসক্ত, কখনও জিম ট্রেনার, কখনও রাজার বেটা-নানাভাবে তোপ দেগেছেন। দিনকয়েক আগেই বলেছিলেন,  “আমি মনে করি তিনি অসভ্য। সংসদে তাঁর ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ। রাহুল দেশের জন্য বিপজ্জনক। বিশ্বমঞ্চেও তিনি  ভারত সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন।” এবার সটান রাহুলকে ‘নারীদের জন্য অস্বস্তিকর’ বলে বসলেন তিনি। 

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *