রাজধানী দিল্লিতে স্টেশনেই গণধর্ষণের শিকার যুবতী! গ্রেপ্তার চার রেলকর্মী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দেশের রাজধানীতে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। কারণ এবার স্টেশনের মধ্যেই রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে যুবতীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠে গেল। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লির (New Delhi) এক রেল স্টেশনের ইলেকট্রিক্যাল মেনটেন্যান্সের স্টাফ রুমে দুই রেলকর্মীর যৌন লালসার শিকার হন ৩০ বছরের যুবতী। মোট চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। যেখানে দু’জনের বিরুদ্ধে উঠেছে ধর্ষণের অভিযোগ এবং বাকি দু’জন ওই ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিলেন যাতে এই ‘কাজে’ কোনও সমস্যা না হয়।
রেলের ডিসিপি হরেন্দ্র সিং জানান, অভিযুক্তরা হলেন সতীশ কুমার (৩৫), বিনোদ কুমার (৩৮), মঙ্গল চাঁদ মীনা (৩৩) এবং জগদীশ চাঁদ (৩৭)। প্রত্যেকেই রেলের ইলেকট্রিক বিভাগের কর্মী। এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর তোলা হয় দিল্লির এক আদালতে। তাঁদের ১৪ দিনের জন্য বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
[আরও পড়ুন: রাতভর জেরার পর নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার পার্থ চট্টোপাধ্যায়]
ডিসিপির কথায়, “গত ২২ জুলাই ভোর ৩টে বেজে ২৭ মিনিট নাগাদ একটা ফোন আসে আমাদের কাছে। ফোনের ওপার থেকে এক যুবতী জানান স্টেশনের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে দু’জন তাঁকে ধর্ষণ করে। এরপর তদন্ত শুরু হয়।” যুবতী আরও জানান, অভিযুক্তদের আগে থেকেই চিনতেন তিনি। আসলে গত এক বছর স্বামীর থেকে আলাদা থাকতেন ওই যুবতী। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। এরই মধ্যে এক কমন বন্ধুর মাধ্যমে অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। যিনি তাঁকে রেলে চাকরির বন্দোবস্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই সূত্রেই গত ২১ জুলাই ওই ব্যক্তিকে ফোন করেছিলেন যুবতী। নিজের ছেলের জন্মদিনের পার্টিতে যুবতীকে আমন্ত্রণও জানান ওই অভিযুক্ত। অভিযোগ, রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ যুবতীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে স্টেশনে পৌঁছে যান তিনি। কিন্তু সেখানে তাঁর জন্য যে এমন বিপদ অপেক্ষা করে আছে, টেরও পাননি যুবতী। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ডি ও ৩৪২ ধারা মামলা রুজু হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
[আরও পড়ুন: দেশে করোনার অ্যাকটিভ কেস ছাড়াল দেড় লক্ষের গণ্ডি, একদিনে মৃত্যু ৬৭ জনের]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *