বন্ধু ধর্ষণ করেছে, জানতে পেরে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিলেন যুবক, স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ তরুণী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামীর বন্ধু ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করলেন মধ্যপ্রদেশের (Madhaya Pradesh) এক তরুণী। যদিও সে কথা স্বামীকে জানানোর পর বন্ধুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি স্বামী। উলটে বউকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। এমনকী বিবাহবিচ্ছেদে করেন স্ত্রীর সঙ্গে। এরপর বাধ্য হয়ে পুলিশ অভিযোগ জানান নির্যাতিতা ওই তরুণী। স্বামী ও অভিযুক্ত স্বামীর বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় নির্যাতিতা তরুণী অভিযোগ করেন ইন্দোর (Indore) পুলিশ স্টেশনে। যদিও ঘটনাটি ভোপালের। পরে ভোপাল পুলিশ মামলাটিকে ইন্দোরের গৌতম নগর থানায় স্থানান্তরিত করে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণী ও তাঁর স্বামীর মধ্যে গত এক বছর ধরে একটি বিষয়ে সমস্যা ছিল। সম্প্রতি সেই সমস্যার মিমাংসা করতে বাড়িতে আসেন স্বামীর বন্ধু হাসিব সিদ্দিকি। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না স্বামী। হাসিব তরুণীকে এক পেয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। বন্ধুর কীর্তির কথা স্বামীকে জানান নির্যাতিতা।
[আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল CBSE দ্বাদশের ফলাফল, জেনে নিন কীভাবে অনলাইনেই জানা যাবে প্রাপ্ত নম্বর]
তা জানার পর বন্ধুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি স্বামী, উলটে স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এমনকী তাঁর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এরপরেই স্বামী ও স্বামীর বন্ধুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান তরুণী। পুলিশ জানিয়েছে, বছর আঠাশের তরুণীর বাপের বাড়ি ইন্দোরে। বিয়ের আগে তিনি হিন্দু ছিলেন। বিয়ের পর মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। তরুণীর স্বামীর সঙ্গে অশান্তির কথা জেনে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই অভিযুক্ত হাসিব ওই দম্পতির বাড়িতে আসা-যাওয়া শুরু করেছিল। সম্প্রতি স্বামীর অনুপস্থিতিতে তরুণীকে ধর্ষণ করেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ নির্যাতিতার।
[আরও পড়ুন: Coronavirus: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৬০ জনের, বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যাও]
এই ঘটনার পরেই ইন্দোরে গিয়ে স্বামী ও স্বামীর বন্ধুর বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলাটি গৌতম নগর থানায় আসার পর নতুন করে তদ্ন্ত শুরু করেছেন ওই থানার পুলিশ আধিকারিকরা। তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে জানিয়েছে ভোপাল পুলিশ।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *