১০০ দিনের কাজে বকেয়া ৭ হাজার কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক তৃণমূল সাংসদদের

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের পাওনা টাকা বন্ধ করেছে কেন্দ্র। এই খাতে বকেয়া প্রায় ৭ হাজার কোটি। সেই পাওনা আদায়ের জন্য কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদরা। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তাঁরা।
এদিনের বৈঠকে তৃণমূলের মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায়, লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল-সহ ১০ জন দলীয় সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকশেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সুদীপ জানান, এই বিষয়টি নিয়ে কোনও রকম রাজনীতি করা তৃণমূলের উদ্দেশ্য নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) লিখিত ভাবে ওই বকেয়া টাকা রাজ্যকে দেওয়ার জন্য তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি। পুরো বিষয়টিকেই ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন তৃণমূল সাংসদ।
[আরও পড়ুন: রাজ্যের অশান্তি নিয়ন্ত্রণে সেনা ডাকার দাবিতে মামলা, কী জানাল কলকাতা হাই কোর্ট?]
উল্লেখ্য, গত ৫ মাস ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্র। ফলে একশো দিনের শ্রমিকদের পেটে টান পড়ছে। সম্প্রতি এই ইস্যুতে একাধিকবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, বঞ্চনা নিয়ে দু’দিন প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করেছে রাজ্য তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দলের সাংসদরা এ নিয়ে দিল্লিতেও সরব হবেন। কেন্দ্রের দ্বারস্থ হবেন তৃণমূল নেতারা। সেই নির্দেশ মেনেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছিলেন তৃণমূলের সংসদীয় দল। অবশেষে বৃহস্পতিবার তাঁরা দেখা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে। 
প্রসঙ্গত, ১০০ দিনের কাজে দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভাল পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলা। তারপরও কেন্দ্রের তরফে প্রাপ্য টাকা সময়মতো না পাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী নিজে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। আবেদন জানিয়েছিলেন, যত দ্রুত টাকা মিটিয়ে দেওয়া যায়, তত ভাল। তবে তাতেও সুরাহা না হওয়ায় প্রতিবাদে পথে নামে রাজ্যের শাসকদল। এখন দেখার এই বৈঠকের পরে বরফ গলে কিনা। 
[আরও পড়ুন: ‘জামা ছিঁড়ে দিয়েছে পুলিশ’, কংগ্রেসের মহিলা সাংসদের ভিডিও প্রকাশ করে তোপ শশী থারুরের]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *