ভাঙড় নয়, ক্যানিং পূর্বেই প্রার্থী করতে হবে শওকতকে, দাবি তুলে বিক্ষোভে বিধায়কের অনুগামীরা!

ভাঙড় নয়, শওকত মোল্লাকে প্রার্থী করতে হবে ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকেই। এই নিয়ে তৃণমূল নেতা, বিধায়কের অনুগামীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াল। জীবনতলা এলাকায় শুরু হয় বিক্ষোভ। মঙ্গলবার রাত থেকে তৃণমূলের কর্মীদের একাংশ জীবনতলায় বিধায়কের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান। টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা হয়। আজ, বুধবার সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, অবস্থান। তাঁদের দাবি, কোনওভাবেই শওকত মোল্লাকে ভাঙড়ে প্রার্থী করা যাবে না। এই বিক্ষোভ সম্পর্কে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ডাকসাইটে নেতাও।
গতকাল, মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে। একাধিক জেলায় প্রার্থী বদল হয়েছে। বিধায়কদের অনেকে টিকিট পাননি। এবার ৭৪ জন মুখ বদল হয়েছে শাসক দলের প্রার্থী তালিকায়। ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার দীর্ঘদিনের বিধায়ক শওকত মোল্লা। ওই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় ‘ভূমিপুত্র’ হিসেবেও তিনি পরিচিত। এদিকে দল তাঁকে বেশ কিছুদিন ধরে ভাঙড়ের দায়িত্বও দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে ভাঙড়েও তাঁর প্রভাব রয়েছে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে দেখা যায়, ক্যানিং পূর্ব নয়, এবার শওকত মোল্লাকে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙড় থেকে। আর তারপরই ক্যানিং এলাকায় ক্ষোভ ছড়াতে থাকে। 
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাতেই জীবনতলায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ক্যানিং পূর্বে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙড়ের নেতা তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলামকে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন স্থানীয় যুব তৃণমূল কর্মীরা।
মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাতেই জীবনতলায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ক্যানিং পূর্বে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙড়ের নেতা তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলামকে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন স্থানীয় যুব তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের দাবি, ক্যানিং পূর্বে ‘ঘরের ছেলে’ সওকত মোল্লাকেই প্রার্থী করতে হবে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা কোনওভাবেই মেনে নেবেন না। তৃণমূলের কয়েকশো কর্মী-সমর্থক জীবনতলা বাজারে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ।
এদিন সকাল থেকে ফের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সওকতকে ওই এলাকাতেই প্রার্থী করতে হবে স্লোগানিং চলে। ২০১৬ ও ২০২১ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন শওকত মোল্লা। এবারও তাঁকে এখানেই প্রার্থী করার তীব্র দাবি উঠেছে। ক্যানিং ২ ব্লকের সারেঙ্গাবাদ অঞ্চলের প্রধান ইছাউদ্দিন সর্দার বলেন, “আমরা ঘরের ছেলেকেই চাই, বহিরাগত মানছি না।” শওকত মোল্লা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে কিছু বলার নেই। দল তাঁকে যে নির্দেশ দেবে, তাই পালন করা হবে। অনুগামীদের একাংশ এই বিক্ষোভ করছেন। অন্যদিকে, প্রার্থী বাহারুল ইসলাম বলেন, “দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। শওকতদার সঙ্গে কোনও মতবিরোধ নেই।”

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *