মোজতবা খামেনেই সমকামী? ইরানের সুপ্রিম লিডারের ‘কেচ্ছা’ শুনে হেসেই খুন ট্রাম্প!

সমকামীতা ইসলামে হারাম। অথচ মুসলিম রাষ্ট্র ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই নিজে সমকামী! সম্প্রতি মোজতবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমনই গোপন তথ্য এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে। দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল মোজতবার। গোয়েন্দা সূত্রে এই তথ্য পাওয়ার পর নাকি হাসি চেপে রাখতে পারেননি ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে গোয়েন্দাদের গোপন রিপোর্ট পেশ করা হয়। যেখানে একাধিক বিষয়ের পাশাপাশি ছিল মোজতবার ব্যক্তিগত জীবনের নানা তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, এক যুবকের সঙ্গে ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডারের দীর্ঘদিন ধরে যৌন সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক মোজতবার শিক্ষক ছিলেন। শুধু তাই নয়, মোজতবার দেখভাল করা একাধিক পুরুষের সঙ্গেও জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন তিনি।
সমকামী মোজতবা নাকি একাধিকবার লন্ডনেও গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সমকামী হওয়ার জেরে তিনি অনেক দেরি করে বিয়ে করেন।
সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সমকামী মোজতবা নাকি একাধিকবার লন্ডনেও গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সমকামী হওয়ার জেরে তিনি অনেক দেরি করে বিয়ে করেন। এমনও দাবি করা হয়েছে, মোজতবার বন্ধ্যাত্বের সমস্যা ছিল। অসুখ সারাতে লন্ডনের ওয়েলিংটন ও ক্রমওয়েল হাসপাতালে তিনবার চিকিৎসা করাতে যান। দীর্ঘদিন সেখানে ছিলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, দাবি করা হচ্ছে, ব্রিটেনে চিকিৎসার জন্য টানা দু’মাস সেখানে ছিলেন মোজতবা। সেই সময়েই গর্ভবতী হন তাঁর স্ত্রী। তবে গোয়েন্দা রিপোর্টে এমন দাবি করা হলেও, এর প্রেক্ষিতে কোনও তথ্য প্রমাণ পেশ করা হয়নি।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত দুই আধিকারিক ও এক ব্যক্তি এই রিপোর্টকে চূড়ান্ত সত্য বলে দাবি করেছেন। সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যে বিভাগ থেকে এই রিপোর্ট পেশ করে হয়েছে তা হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা বিভাগ। এবং রিপোর্ট যেহেতু খোদ ট্রাম্পের কাছে গিয়েছে ফলে একে কোনওভাবেই মিথ্যে বলা যায় না। জানা যাচ্ছে, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সামনে যখন এই তথ্য পেশ করা হয় তখন হো হো করে হেসে ওঠেন ট্রাম্প। অন্যান্য আধিকারিরাও রিপোর্ট দেখে মশকরা করতে শুরু করেন নিজেদের মধ্যে।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *