দ্বিতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ৪ বছরের সন্তানকে নৃশংসভাবে খুন বাবার! সম্পত্তির লোভেই বলি একরত্তি?

মা মরা সন্তান। বাবা থাকতেন দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেই। জুটত না বাবার ভালোবাসাও। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুধের শিশুর গায়ে হাত তুলতেও বাঁধত না সৎ মায়ের। আর সেই মায়েরই নির্মতার শিকার চার বছরের শিশু। ঘর থেকে উদ্ধার দেহ। সন্তানকে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর বর্তমান স্ত্রীকেও। পরিবারের অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তল্লাশিতে ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি, ঝাঁটা, বেল্ট এবং দড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অপরাধে এই সমস্ত জিনিসকে ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে ধৃত দু’জনকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে লখনউ-এর চক এলাকায়। ধৃত দুজনের মধ্যে একজনের নাম বিশ্ব খারবান্দা ও রাগিণী খারবান্দা। শিশুর দিদার করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। উন্নাও এর বাসিন্দা সুধা কাশ্যপ তথা অর্ণবের দিদার অভিযোগ, জামাই এবং তাঁর বর্তমান স্ত্রীই খুন করেছে অর্ণবকে। এমনকী নাতির মৃত্যু সংবাদ তাঁকে প্রথম জামাই দেন বলেও সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন সুধাদেবী। আর এরপরেই বিষয়টি পুলিশকে জানান তিনি।
অন্যদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছেন, পরিবার যখন বাড়িতে পৌঁছায় সেই সময় দেখেন শিশুটির দেহ বারান্দার পড়ে রয়েছে। পুলিশের দাবি, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকী বেশ কয়েকটি জায়গায় নীল রঙের আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। ফলে মৃত্যুর আগে নির্মমভাবে তাঁকে যে মারধর করা হয়েছে তা কার্যত স্পষ্ট বলে দাবি তদন্তকারীদের। এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মা বছরখানেক আগে অসুস্থতার কারণে মারা যান। এরপর থেকেই শিশুটির উপর চলত অত্যাচার। তবে কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সম্পত্তির কারণেই খুন বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *