দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: শুটআউটে খুন তৃণমূল নেতা, পালটা গণপিটুনিতে অভিযুক্তের মৃত্যু, এলাকায় অগ্নিসংযোগ। সাতদিন পর জয়নগরের (Jaynagar) দলুয়াখাঁকি এলাকায় আগুনের ঘটনায় রবিবার রাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এরা সকলেই এলাকায় দুষ্কৃতী বলে পরিচিত। তবে সূত্রের খবর, এরা সক্রিয় তৃণমূল (TMC) কর্মী। সোমবার তাদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে। এনিয়ে গোটা ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬। এর আগে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
গত সোমবার, ১৩ নভেম্বর ভোরে নমাজ পড়তে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতীদের খুন হন দলুয়াখাঁকির তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি সইফউদ্দিন লস্কর। এই ঘটনায় উত্তেজনার মাঝেই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গণপিটুনিতে (Lynching) মৃত্যু হয় অন্যতম অভিযুক্তের। এর পর পালটা এলাকায় অগ্নিসংযোগের (Fire) ঘটনা ঘটে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু বাড়ি। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে দু দলের মাঝে পড়ে ভিটেহারা হন দলুয়াখাঁকির বহু নিরীহ মানুষ। এই ঘটনায় মোট তিনটি আলাদা মামলা দায়েরের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করে জয়নগর থানার পুলিশ।
[আরও পড়ুন: রেশন দুর্নীতি: কৃষি সমবায়ের ‘পাসওয়ার্ড’ বাকিবুরের হাতেই! চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির]
সইফউদ্দিন খুনের ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড সন্দেহে সিপিএম (CPM) নেতা আনিসুর-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও, পরবর্তী দুটি ঘটনায় পুলিশের জালে আসেনি কেউ। তবে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিবার রাতে নিজেদের এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে তিনজন। জয়নগর থানার পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম আমানুল্লা জমাদার, নজরুল মণ্ডল ও আকবর ঢালি। এরা দুষ্কৃতী বলেই এলাকায় পরিচিত। তাদের এহেন কাজের পিছনে আরও বড় কোনও মাথা ছিল কি না, তাদের অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, ধৃতদের জেরা করে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। আদালতে পেশ করে এদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।
[আরও পড়ুন: কেন এবারেও অধরা থেকে গেল বিশ্বকাপের মাধুরী? ফাইনালে ভারতের হারের পাঁচ কারণ]
Source: Sangbad Pratidin
