World Cup 2023: বিধ্বস্ত দল, অধরা সেঞ্চুরি, ড্রেসিংরুমে বসে চোখে জল কোহলির, ভাইরাল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অজিবাহিনীর বিরুদ্ধে শুধুই তো বিশ্বজয়ের লড়াই নয়, ভারত আজ লড়ছে ২০০৩ সালের বদলা নিতেও। লড়ছে ঘরের মাঠে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে। কিন্তু সেই লক্ষ্যে জোর ধাক্কা দিচ্ছেন অজি বোলাররা। তাই দলের দরকারের সময় আউট হয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না বিরাট কোহলি।
রবিবাসরীয় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারে মন্দ করেনি ভারত। শক্ত হাতেই সূচনা করেন রোহিত শর্মা। তবে ব্যর্থ হন শুভমান গিল। তিনি ৪ রানে আউট হয়ে ফিরলে ১৩৫ কোটির প্রত্যাশা কাঁধে নিয়ে ২২ গজে নামেন কোহলি। আবারও হয়তো তাঁর ব্যাট থেকে আসবে একটা শতরান। এই আশাতেই ছিলেন দর্শকরা। কিন্তু স্টার্ক, কামিন্সদের দাপটে সে লক্ষ্যে পৌঁছনো হল না। কামিন্সের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। ৫৪ রান করে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। স্টেডিয়াম জুড়ে তখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মাথায় হাত সমর্থকদের। তাঁর আউটের পর একের পর এক উইকেটের পতনে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। আর তা দেখেই ড্রেসিংরুমে বসে চোখ ঢাকতে দেখা গেল বিরাটকে। সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই ছবি।
[আরও পড়ুন: ফাইনালে হামাস-ইজরায়েল দ্বন্দ্বের ছায়া, মাঠে ঢুকে বিরাটকে জড়িয়ে ধরলেন প্যালেস্তিনীয় সমর্থক]

#ViratKohli #RohitSharma
Pray Hope #INDvsAUSfinal #WorldCupFinals #WorldCup2023Final pic.twitter.com/DayXeTNwJP
— दिనేஷ் PK (@Suriya_Fan_D) November 19, 2023

এই বিশ্বকাপে ১১ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ৭৬৫ রান। একটা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের নিরিখে আগেই শচীন তেণ্ডুলকরকে পেরিয়ে গিয়েছিলেন কোহলি। আর এদিন যেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গেলেন। কিন্তু দলের স্বার্থে যে তাঁকে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হত। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে বড় ইনিংস করতে হত। সেই আক্ষেপই যেন যাচ্ছে না কোহলির।
অনেকেই এই ছবি দেখে লিখেছেন, এখনই ভেঙে পড়ার সময় হয়নি। খেলা অনেকটাই বাকি। নেটিজেনদের আরেকাংশ বলছে, হতাশা কাটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে ভারতকে। শামি-সিরাজ-বুমরাহরা এবার কী করেন, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দুনিয়া।
[আরও পড়ুন: ‘দিল্লি তো দেয় না’, ছটপুজোয় ২ দিনের ছুটি ঘোষণা করে কেন্দ্রকে খোঁচা মমতার]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *