চিঠি-পার্সেল ওজন করতে ভরসা দোকানের যন্ত্র! হতশ্রী দশা বালুরঘাটের উপ ডাকঘরের

রাজা দাস, বালুরঘাট: নেই ওজন যন্ত্র (Weight Machine)। চিঠি কিংবা পার্সেল ওজন করতে ভরসা এলাকা মাংস ও সবজি বিক্রেতা। কয়েক বছর ধরে এভাবেই চলছে বালুরঘাট শহরের খাদিমপুর স্কুলপাড়া উপ ডাকঘরের (Post Office) পরিষেবা। আর তা নিয়েই ক্ষোভ গ্রাহকদের। কবে পরিষেবার উন্নতি হবে, সে বিষয়ে তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে। জানেন না ডাককর্মীরাও।
দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) ডিভিশনের অধীনে ডাক বিভাগের শাখা রয়েছে ১৪৯ টি। এছাড়া এই ডিভিশনের অধীনে প্রধান বা সদর কার্যালয় ছাড়াও রয়েছে ২১ টি উপ ডাকঘর। সদর তো বটেই, বেশিরভাগ উপ ডাকঘর থেকেই চিঠি ও পার্সেল পরিষেবা চলে। কিন্ত এই পরিষেবা দিতে গেলে প্রয়োজন ওজন যন্ত্রের। অথচ এই যন্ত্রই নেই খাদিমপুর স্কুলপাড়া উপ ডাকঘরে। স্বাভাবিকভাবেই কোনও চিঠি বা পার্সেল রেজিস্ট্রি করতে সমস্যা দেখা দেয়। বাধ্য হয়ে এলাকার মাংসের দোকান কিংবা সবজি বিক্রেতার কাছে গিয়ে ওজন করতে হয় সেই চিঠি বা পার্সেল (Parcel)। নিত্যদিনের এই সমস্যা নিয়েই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে।
[আরও পড়ুন: QR কোড, বড় হলোগ্রাম, ভেজাল সুরা বিক্রি রুখতে জোড়া অস্ত্র রাজ্য সরকারের]

পার্থ চাকি নামে এক গ্রাহক জানান, ”ওজন যন্ত্র ডাক বিভাগেই থাকার কথা। কিন্ত তা থাকবে না কেন? আমাদের প্রতিবার সামনে মাংস অথবা সবজির দোকানে যেতে হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চাইছি।” ওই উপ ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সঞ্জয় সরকারের কথায়, ”বছর ছয়েক ধরে ওজন যন্ত্র নেই। আমি এখানে আসার আগে থেকেই। তবে এই ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। খুব শীঘ্র ওজন যন্ত্র মিলবে বলেই আশা আমাদের।”
[আরও পড়ুন: নীতি কমিটির বৈঠকেই ‘অশালীন’ প্রশ্ন, ক্ষোভে ওয়াক আউট মহুয়া-সহ বিরোধী সাংসদদের]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *