‘এভাবে চললে বিজেপির ৫ টি সিট পাওয়াও কঠিন’, অনুপম হাজরার মন্তব্যে প্রকট গোষ্ঠীকোন্দল

দেব গোস্বামী, বোলপুর: ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উসকে দিলেন অনুপম হাজরা।  ইলামবাজারের পাড়ুই মাখড়াগ্রামের  বিজেপিকর্মীর বাড়ি আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। রবিবার বিজেপিকে সমর্থন করায় এক কর্মীকে চোর অপবাদ দিয়ে গ্রামছাড়া করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জেরেই ফের প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল।
আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, তিনি বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসী চরণ মণ্ডলের সঙ্গে ফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু জেলা সভাপতি এ বিষয়ে পাশে দাঁড়ায়নি, কোনও উত্তর দেননি। বিজেপি তরফ থেকে কর্মীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগও করা হয়নি বলে অভিযোগ। এই খবর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অনুপম হাজরার কাছে পৌঁছলে তিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে ওই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন। পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। উলটে অনুপম সরাসরি বিজেপির জেলা নেতৃত্বের প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। আর তাতেই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে এবং বিতর্ক ছড়িয়েছে।
[আরও পড়ুন: প্রতিমা গড়ছেন বাবা, হুবহু তাঁরই অবয়ব তৈরি করল মেয়ে]
এবিষয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অনুপম হাজরা বলেন, “জিয়ার আলির একটাই অপরাধ তিনি বিজেপি করেন। গরিব অসহায় পরিবারের সঙ্গে যা হল, তা এক কথায় ঘৃণ্য।” এর পাশাপাশি জেলা বিজেপি সভাপতি এবং জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি। বলেন, “বিজেপির বুথস্তরের কর্মীরা ধরেই নেয় জেলা সভাপতিকে ফোন করলে কোনও সুরাহা হয় না। কেন জেলা সভাপতি অথবা জেলা নেতৃত্ব তাদের দায়িত্ব পালন করবেন না। অযোগ্য মানুষজন বসে রয়েছে জেলার বিভিন্ন নেতৃত্বে। বুথস্তরের বিজেপি কর্মীদের যথাযথ সম্মান জানানো উচিত। জেলা ও রাজ্য বিজেপিতেও বেশ কয়েকজন ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। পদটিকে নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভাবছেন। এমন চলতে থাকলে লোকসভায় পাঁচটি সিটও পাওয়া চাপ হবে।” কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। আর অনুপমের কড়া বিস্ফোরক বার্তার পরপরই সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
[আরও পড়ুন: সিংহের মুখ ঘোড়ার মতো! দত্তপুকুরের দত্তবাড়ির দুর্গা বিসর্জনের রীতিতেও ভিন্ন ছোঁয়া]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *