শুক্রবারের মিনি ডার্বি জিতে চ্যাম্পিয়ন হতে মরিয়া মহামেডান, ইস্টবেঙ্গলের জিয়নকাঠি মোহনবাগানই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা লিগকে তরুণ ও প্রতিভাবান ফুটবলার তুলে আনার রয়ায়নাগার হিসেবেই বেছে নিয়েছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। সেই কারণেই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ২৬টি দলের মধ্যে একমাত্র ক্লাব হিসেবে ঘরোয়া লিগে ডেভেলপমেন্ট টিম বা যুব দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের যুব ফুটবলারদের গড় বয়স ১৯। প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল সুপার সিক্সে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে সফল বাস্তব রায়ের কোচিংয়ে থাকা দল। এবার লড়াই সুপার সিক্সের। শুক্রবার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে মিনি ডার্বিতে মহামেডানের মুখোমুখি হবেন সুহেল ভাটরা। লিগ আর মহামেডান স্পোর্টিংয়ের (Mohammedan Sporting) মাঝে এখন শুধুই রয়েছে মোহনবাগান।
শুক্রবার মিনি ডার্বি সাদা-কালো শিবির জিতে নিলেই লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করে ফেলবে তারা। অন্য কোনও দলের দিকে আর তাকানোর কোনও প্রয়োজনই হবে না। ম্যাচ ড্র হলে মহামেডান স্পোর্টিংকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইস্টবেঙ্গলের দিকে। সেক্ষেত্রে লিগের বাকি তিনটি ম্যাচ জিতলে গোল পার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার হবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। মোহনবাগান জিতলে সুবিধা ইস্টবেঙ্গলেরই। অর্থাৎ লাল-হলুদের জিয়নকাঠি মোহনবাগানের হাতেই। 
[আরও পড়ুন: কোন ছকে বিশ্বজয়ী হতে পারে রোহিতের টিম ইন্ডিয়া? জানালেন রাহুল দ্রাবিড়]
এদিকে রণনীতিতে বদল আনতে চলেছেন বাস্তব রায়। চারদিন পরেই এএফসি কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। চলছে আইএসএল। মিনি ডার্বির আগে সবুজ-মেরুন কোচ বাস্তব রায় বলেন, ”মহামেডান স্পোর্টিং যথেষ্ট শক্তিশালী দল। লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে রয়েছে। সেই দলের বিরুদ্ধে ভালো খেলাটা আমাদের যুব দলের কাছে চ্যালেঞ্জ। আইএসএল চলছে। এএফসি কাপ দোরগোড়ায়। যুব দলের কয়েকজন ফুটবলার রয়েছে সিনিয়র দলে। সেসব কথা মাথায় রেখেই দল নির্বাচন করতে হবে। তবে যারা খেলবে তারা সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবে।”
মহামেডানের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগে ৯৬ মিনিট পর্যন্ত ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ জিততে পারেনি মোহনবাগান। সেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল। বাস্তব রায় বলছেন, ”আমরা আগের সাক্ষাতের কথা মাথায় রাখছি। শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব আমরা।”
মোহনবাগানই একমাত্র ক্লাব যারা ঘরোয়া লিগে যুব দল খেলাচ্ছে। ঘরোয়া লিগে ফুটবলারদের খেলিয়ে সিনিয়র টিমের জন্য তৈরি করাই আসল উদ্দেশ্য সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। বাস্তব রায় বলছেন, ”আমার দলের প্রাথমিক লক্ষ্যই ছিল সুপার সিক্সে ওঠা। সেটায় সফল হয়েছি। অঙ্কের বিচারে আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ নেই। সেই জন্যই আমি ফুটবলারদের বলে দিয়েছি চাপমুক্ত হয়ে নিজেদের সেরাটা দাও। নিজেদের মেলে ধরার এরকম সুযোগ পাবে না। সুযোগ কাজে লাগাও।”
[আরও পড়ুন: কাপ যুদ্ধের আগে লক্ষ্মীলাভ, বাবর আজম-শাহিনদের ঝুলিতে এল কত টাকা?]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *