কলেজ থেকে বিতাড়িত, মা জানতে পারার পরই কুপিয়ে খুন মেয়ের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মা জেনে গিয়েছিলেন মেয়েকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এই ‘সিক্রেট’ মা জেনে গিয়েছেন জানার পর উত্তেজিত হয়ে তাঁর উপর চড়াও হন ২৩ বছরের কন্যা। অভিযোগ ছিল, লোহার দণ্ড দিয়ে আঘাত ও পরে ছুরি দিয়ে প্রায় ৩০ বার তাঁর ঘাড়ে কোপ বসিয়ে মাকে খুন (Murder) করেছেন তিনি। অবশেষে দোষী সাব্যস্ত হলেন অভিযুক্ত সিডনি পাওয়েল। আগামী বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর সাজা ঘোষণা।
জানা যাচ্ছে, ২০২০ সালের মার্চে আমেরিকার (US) ওহিওর বাসিন্দা সিডনি তাঁর মা ব্রেন্ডা পাওয়েলের মাথায় আঘাত করেন লোহার দণ্ড দিয়ে। এরপর ঘাড়ে প্রায় ৩০ বার কোপ বসান। এরপরই পুলিশ ব্রেন্ডার মৃতদেহ আবিষ্কার করে পুলিশ। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তিও করা হয়। কিন্তু তাঁকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।
[আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের মিছিল যাবে অভিষেকের অফিস ঘেঁষেই, আদালতে খারিজ রাজ্যের আরজি]
আদালতে বিচারের সময় সিডনির আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেল স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। তাই যা করেছেন তা না বুঝেই করেছেন। কিন্তু এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন সরকারি তরফে যিনি মনোবিদ ছিলেন তিনি। সিলভিয়া ওব্রাডোভিচের দাবি, তিনি সিডনির ডায়াগনসিস করে জানতে পেরেছেন তিনি মোটেই তেমন নন। বরং রীতিমতো ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। প্রথমে লোহা দিয়ে আঘাত করার পর, রান্নাঘরে গিয়ে খুনি তরুণী ছুরি নিয়ে আসেন। আর তার পর কোপের পর কোপ বসাতে থাকেন। এই আচরণ থেকে পরিষ্কার, কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে উন্মাদ হিসেবে পরিগণিত হওয়ার যে শর্ত তা মানলে সিডনি মোটেই মানসিক ভাবে অসুস্থ নন।
[আরও পড়ুন: দলীয় কার্যালয় তৈরির জন্য জমি নিয়ে বিবাদ, বসিরহাটে ‘খুন’ তৃণমূল কর্মী]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *