‘দুর্নীতির মিথ্যে অভিযোগ’, কংগ্রেসের সাংসদের বিরুদ্ধে ১০ কোটির মানহানির মামলা হিমন্তের স্ত্রীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)  এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল অসমের রাজনীতি। এবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈয়ের (Gaurav Gogoi) বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন হিমন্তের স্ত্রী রিনিকি ভুইয়াঁ শর্মা। রিনিকির আইনজীবী জানিয়েছেন, এক্স হ্যান্ডলে একাধিক ‘ভুয়ো’ পোস্টের জন্য গগৈয়ের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে।
কংগ্রেস নেতা অভিযোগ করেন, ‘কিষাণ সম্পদ’ প্রকল্পে কৃষকদের জন্য ভর্তুকি কথা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। প্রভাব খাটিয়ে ওই ভর্তুকির সুবিধা নিজের ঘরে তুলেছেন হিমন্ত। ভর্তুকি পায় হিমন্তের স্ত্রীর সংস্থা। যদিও হিমন্ত এবং তাঁর স্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভর্তুকির সুবিধা নেননি বলে জানিয়েছেন হিমন্তের স্ত্রী। যদিও পিছু হটেননি গৌরব। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটের লিঙ্ক প্রকাশ করেন।
[আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবন আসলে মোদি মাল্টিপ্লেক্স! জয়রাম রমেশের খোঁচা ঘিরে শোরগোল]
ওই লিঙ্কে সুবিধা পাওয়া সংস্থা এবং ব্যক্তির নাম রয়েছে বলে জানান তিনি। ১০ কোটি টাকা সরকারি অনুদানের অনুমোদনের কথাও বলেন। গৌরব কটাক্ষ করেন, “ওয়েবসাইটটি হ্যাক হয়ে থাকলে দয়া করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রিপোর্ট করুন।” এই দাবির বিরোধিতা করে গত শুক্রবার কামরূপের আদালতে কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন রিনিকি। ২৬ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি হবে।
[আরও পড়ুন: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ১০০ দিন পর চালু ইন্টারনেট পরিষেবা]
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে হিমন্তের স্ত্রী রিনিকি এবং তাঁদের পুত্র নন্দিলের নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে ২৯ বিঘা সরকারি জমি দখলের অভিযোগ এনেছিল একটি সমীক্ষা সংস্থা। চলতি মাসে ‘ক্রসকারেন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান আরটিআই করে। যার পর জানা যায়, হিমন্ত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই নগাঁও জেলায় কলিয়াবরে দারগাজি গ্রামের পাঁচ বাসিন্দার কাছ থেকে ৫০ বিঘা ২ কাঠা কৃষিজমি কেনেন রিণিকি। ওই জমি দেখিয়েই খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের সংস্থা স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্পদ যোজনা থেকে ১০ কোটি টাকার সরকারি সাহায্য আদায় করে রিণিকির সংস্থা ‘প্রাইড ইস্ট এন্টারটেনমেন্ট’।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *