নৌকায় থরে থরে সাজানো স্বর্ণ বিস্কুট! পাচারের সময় বনগাঁয় ইছামতী থেকে উদ্ধার ২২ কেজি সোনা

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বনগাঁয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের (BSF) অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ সোনার জিনিস। সোনার বিস্কুট, বার, কয়েন-সহ উদ্ধার হওয়া সোনার (Gold) বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি টাকা। বলা হচ্ছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে এত পরিমাণ সোনা এর আগে উদ্ধার হয়নি। যদিও এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। বিএসএফ জওয়ানদের দেখেই তাঁরা ইছামতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিএসএফ সূত্রে খবর, নৌকায় করে ইছামতী নদী পেরিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারতে ঢুকছিল একদল পাচারকারী। তা চোখে পড়ে কর্তব্যরত জওয়ানদের। সঙ্গে সঙ্গে পাচারকারীরা নৌকা থেকে ঝাঁপ দিয়ে বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে যায়। নৌকাটি বাজেয়াপ্ত করেন বিএসএফের ১৫৮ নং ব্যাটেলিয়নের সদস্যরা। তার মধ্যে থেকে পাঁচটি ব্যাগ উদ্ধার হয়। তল্লাশি চালাতেই থ হয়ে যান জওয়ানরা।
[আরও পড়ুন: দেহে সুতোটুকু নেই, ক্যামেরায় পোজ রণবীরের! বললেন ‘হাজার মানুষের সামনে নগ্ন হতে পারি’]
দেখা যায়, ব্যাগের মধ্যে থরে থরে সাজানো রয়েছে সোনার বিস্কুট। বৃহস্পতিবার সন্ধে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ (Bongaon) থানার ঘোনার মাঠ সীমান্ত এলাকায়। বিএসএফ জানিয়েছে, আটক করা ৫ টি ব্যাগের তল্লাশি চালিয়ে তাঁর মধ্যে থেকে ৩২১টি সোনার বিস্কুট, ৪টি সোনার বার, ১টি সোনার কয়েন এবং ৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সোনার ওজন প্রায় ৪১.৫ কেজি। ভারতীয় মুদ্রায় যার বাজারমূল্য প্রায় ২১.২২ কোটি টাকা৷

এদিন সন্ধেয় ঘোনার মাঠ এলাকায় ১৫৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা টহল দিচ্ছিলেন। সেসময় ইছামতী নদী পেরিয়ে নৌকা চেপে সাত-আট জনের একটি পাচারকারী দলকে চোরাপথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করছিল৷ জওয়ানরা তাদের দেখতে পেয়ে দাঁড়াতে বলে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে দেখে চোরাকারবারিরা তাদের সমস্ত জিনিসপত্র ফেলে নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং বাংলাদেশের দিকে ফিরে আসে।
[আরও পড়ুন: টিউশন পড়ানোর নামে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণ! গ্রেপ্তার স্কুল শিক্ষক]
বিএসএফ জানিয়েছে, তাদের নিয়মিত তল্লাশি অভিযানে মাঝেমধ্যেই সীমান্ত এলাকা থেকে সোনার বিস্কুট আটক হয়। তবে বৃহস্পতিবার সীমান্ত এলাকায় সোনা উদ্ধারের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় সোনা উদ্ধারের ঘটনা৷

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *