শিনজো আবে হত্য়ায় ‘অগ্নিপথের ছায়া’, তৃণমূলের মুখপত্রে খোঁচা কেন্দ্রকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘাতকের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন জাপানের (Japan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে (Shinjo Abe)। আর এই মৃত্যুর প্রসঙ্গে নাম না করেই কেন্দ্রের অগ্নিপথ প্রকল্পের ‘সমস্যা’র কথা এর আগে বলতে দেখা গিয়েছিল কংগ্রেসকে। কিন্তু শনিবার দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’য় (Jago Bangla) সরাসরিই সেই প্রসঙ্গ তুলে আনল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। এদিন ‘জাগো বাংলা’র প্রথম পাতার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে কী করে আবের মৃত্যুতে ‘অগ্নিপথের ছায়া’ দেখা গিয়েছে।
আসলে শিনজো আবের খুনি তেতসুয়া ইয়ামাগামি জাপানের সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন বিনা পেনশনে। যা মনে করিয়ে দিচ্ছে অগ্নিপথ প্রকল্পের কথা। ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ”শিনজোর মৃত্যুতে অগ্নিপথ নিয়ে মানুষের ক্ষোভের কারণ আরও দৃঢ় হল। তার কারণ, হত্যাকারী তেতসুয়া বিনা পেনশনে জাপানের সেনায় কাজ করত। তাৎপর্যপূর্ণ হল, একই ভাবে অগ্নিপথ প্রকল্পে সেনা নিযুক্তি করতে চাইছে কেন্দ্র। যা নিয়ে উত্তাল হয় গোটা দেশ। অগ্নিপথে মাত্র সাড়ে ৪ বছরের জন্য সেনায় কাজ করার সুযোগ মিলবে। অবসরের পর থাকবে না পেনশন কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। তেতসুয়ার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। জাপানের মেরিটাইম সেলফ ডিফেন্সের প্রাক্তন সদস্য সে। তিন বছর কাজ করার পর চাকরি যায়। তারপর থেকে প্রায় কোনও কাজই সে পায়নি। নিরাপত্তাহীনতা এবং চাকরি যাওয়ার কারণে শিনজোর উপর তার ক্ষোভ ছিল বলে জানিয়েছে।”
[আরও পড়ুন: জঞ্জালের স্তূপে পড়ে থাকা মোবাইলের ব্যাটারিতে আগুন, বিস্ফোরণে প্রাণ গেল শিশুর]

প্রসঙ্গত, শুক্রবার পশ্চিম জাপানের নারা শহরে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় আচমকাই আবের উপরে গুলি চালায় এক আততায়ী। মঞ্চের উপরেই লুটিয়ে পড়তে দেখা যায় আবেকে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় তেতসুয়াকে।
পরে কংগ্রেসের (Congress) মুখপাত্র সুরেন্দ্র রাজপুত টুইটারে লেখেন, “শিনজো আবের হত্যাকারী টেটসুয়া ইয়ামাগামি বিনা পেনশনে জাপানের এসডিএফ অর্থাৎ সেনাবাহিনীতে কাজ করত।” এবার তৃণমূলের মুখপত্রেও সেই প্রসঙ্গই উঠে এল। তবে ইঙ্গিতে নয়, সরাসরিই।
[আরও পড়ুন: যোগ্যতা প্রমাণে কড়া দাওয়াই, পথে নেমে আন্দোলন চায় বিজেপির নেতৃত্ব]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *