২০০ বছর বাঁচবে মানুষ, পথ দেখাবে তিমিই ! চাঞ্চল্যকর দাবি বিজ্ঞানীদের

‘শত শরদ মানুষের আয়ু।’ লিখেছিলেন মণীন্দ্র গুপ্ত। কিন্তু সেই আয়ু হতে পারে ২০০ বছরের! এমনই দাবি বিজ্ঞানীদের। আর এই আয়ুবৃদ্ধির রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই গ্রহের সবচেয়ে দীর্ঘায়ু প্রাণী তিমির অন্দরে! ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ‘বোহেড’ তিমি গড়ে প্রায় দুশো বছর বাঁচে। এরা এক উচ্চমানের ডিএনএ মেরামতকারী প্রোটিন উৎপাদন করে। বার্ধক্য, ক্যানসার ও অন্য গুরুতর অসুখে গুরুতর জেনেটিক ক্ষতি হয়ে যায়। তখন এই প্রোটিনই সেই ক্ষতির মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। রোচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা লক্ষ করেছেন অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের তুলনায় এই তিমিটির শরীরে ওই প্রোটিন ১০০ গুণ বেশি পরিমাণে রয়েছে।
জানা যায়, এই ধরনের প্রোটিনের প্রয়োগেই অতিকায় প্রাণীরা ক্যানসারের মতো মারণ রোগের মোকাবিলা করে দীর্ঘায়ু লাভ করে। আসলে অতিরিক্ত দীর্ঘ আকারের প্রাণীদের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কেননা তাদের কোষের সংখ্যা বেশি। সেক্ষেত্রে এই ধরনের প্রোটিন দারুণভাবে সাহায্য করে সব ধরনের মারণ রোগকে রুখে দিতে। বিজ্ঞানীরা তাই ওই প্রোটিনকে মানবশরীরে প্রবেশ করিয়ে দেখেছেন তা মানুষের শরীরেও ডিএনএ মেরামতিতে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ‘বোহেড’ তিমি গড়ে প্রায় দুশো বছর বাঁচে। এরা এক উচ্চমানের ডিএনএ মেরামতকারী প্রোটিন উৎপাদন করে। যা বার্ধক্য, ক্যানসার ও অন্য গুরুতর অসুখের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।
তবে গবেষকরা এও জানিয়েছেন, পুরো ব্যাপারটাই এখনও প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। এখনও আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা বাকি। তবে তাঁদের আশা, অচিরেই এই বিষয়ে বড় সাফল্য মিলতে চলেছে। আর তাহলেই মানুষের আয়ু বহুগুণ বাড়ার সম্ভাবনা আর সম্ভাবনা থাকবে না। তা হয়ে উঠতে পারে বাস্তব! বিশেষ করে ক্যানসারের মতো অসুখকে এই প্রোটিনের সাহায্যে রুখে দেওয়া যেতে পারে। যা জীবনের সীমাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। আপাতত তাই সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন গবেষকরা।

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *