‘ফেভারিটের তকমা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সহজ নয়’, সূর্যদের নিয়ে গর্বিত দ্রাবিড়

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী টিমকে সংবর্ধনা। মহিলাদের বিশ্বকাপ জয়ী দলকে সংবর্ধনা। অনুর্ধ্ব উনিশ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সংবর্ধনা। রজার বিনি, রাহুল দ্রাবিড়, মিতালি রাজকে জীবন কৃতি সম্মান। পুরস্কৃত শুভমান গিল, স্মৃতি মন্ধানারা। রবিবার বোর্ডের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মিলিয়ে দিয়ে গেল অতীত বর্তমানকে। পুরস্কার নিতে গিয়ে দ্রাবিড়ের নস্টালজিয়ায় ভেসে যাওয়া। দ্রাবিড় বলছিলেন, ‘আমাকে যে এরকম একটা সম্মান দেওয়া হল, তার জন্য আমি আপ্লুত। নিজেকে প্রচন্ড ভাগ্যবান মনে হচ্ছে যে আমি বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলতে পেরেছি। ভারতীয় টিমের হয়ে খেলতে পেরেছি। অবসর নেওয়ার পরও যে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরেছি, সত্যিই আমি খুব ভাগ্যবান।”
একইসঙ্গে ভারতের প্রাক্তন কোচ জানিয়ে গেলেন, গত তিন দশকে ভারতীয় ক্রিকেটের যেরকম উত্থান হয়েছে, সেটা এককথায় দুর্দান্ত। দ্রাবিড় বলছিলেন, “এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট একইসঙ্গে সবকিছু ঘটছে। তিন দশক ধরে ভারতীয় ক্রিকেট যেরকম গতির সঙ্গে এদিয়ে চলেছে, তা দুর্দান্ত। আমাদের দেশের ক্রিকেটে প্রচুর প্রতিভা। একইসঙ্গে দুর্দন্ত সব প্রশাসক পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট। দারুণ পরিকাঠানো। দারুণ সব কোচ। আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের যে সিস্টেম রয়েছে, সেটা দুর্দান্ত।”
রাহুল দ্রাবিড়ের কোচিংয়েই দীর্ঘ এগারো বছরের খরা কাটিয়ে আইসিসি ট্রফি জেতে ভারত। ২০২৪-এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের কোচ ছিলেন দ্রাবিড়। দু’বছর পর ঘরের মাঠে ফের বিশ্বকাপ জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। বিশ্ব ক্রিকেটে যে নজির অন্য কোনও টিমের নেই। আমেদাবাদে ফাইনাল জেতার পরই ঠিক হয়েছিল বোর্ডের অনুষ্ঠানে টিমকে সংবর্ধিত করা হবে। সূর্যকুমার যাদব, সন্তু স্যামসনদের এদিন সংবর্ধিত করা হল। হল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের প্রসঙ্গে দ্রাবিড় বলেন, “ওদের এরকম পারফর্ম করতে দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। ভারতীয় দলের উপর কীরকম চাপ ছিল একবার ভাবুন। একে ঘরের মাঠে খেল। তারউপর ফেভারিটের তকমা নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা। এরকম চাপ নিয়ে পারফর্ম করা সহজ নয়। ভারতীয় দল ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছে। মানছি টিমটা দুর্ধর্ষ। তবু বলব, ফেভারিট হয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ট্রফি জেতা সহজ কথা নয়। অনেক চাপ থাকে। অনেক রকম ডালেঞ্জের সামনে পড়তে হয়। সূর্যকুমার যাদব আর গম্ভীর আর পুরো টিম খুব ভালো পারফর্ম করেছে। সঞ্জুর কথা বলব। তিনটে মাচে দারুণ ব্যাটিং করেছে। ওই তিন ম্যাচই ভারতের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বেশ কয়েকটি ম্যাচে টিমের বাইরে ছিল। কিন্তু সঞ্জ বরাবরই খুব পরিশ্রমী। ওকে ওরকম পারফর্ম করতে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগল।”

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *