আমেরিকায় পান্নুনকে খুনের ছকে কাঠগড়ায় ভারতীয়! কী বলছে দিল্লি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার মাটিতে খলিস্তানি জঙ্গি গুরপতবন্ত সিং পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্র। এতে নাকি জড়িত নিখিল গুপ্তা নামের এক ভারতীয় নাগরিক! মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই এক মার্কিন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, মার্কিন মুলুকে খলিস্তানি নেতাকে খুনের ছক কষছে ভারত। এই বিষয়ে দিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনাবলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ‘নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক আইনজীবী ও রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যার ছক কষা হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্রে ভারতের এক সরকারি আধিকারিকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নিখিল গুপ্তা। আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলে তাঁরা কাজ করতেন।’
জানা গিয়েছে, নিখিলের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর কুড়ি বছরের উপর কারাদণ্ড হতে পারে। চলতি বছরের ৩০ জুন নিখিলকে গ্রেপ্তার করে চেক প্রজাতন্ত্রের পুলিশ। তার পর তাঁকে মার্কিন প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর বিচার চলছে।
[আরও পড়ুন: ইজরায়েলি ‘দখলদারি’র বিরুদ্ধে একজোট ভারত-চিন! রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাবে একমত দুই দেশ]
বলে রাখা ভালো, কয়েকদিন আগে প্রকাশিত এক মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়, আমেরিকার (US) মাটিতে এক শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, নাম না করে রিপোর্টে গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের কথাই তুলে ধরা হয়েছে। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই ভারতের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা। এর পরই দিল্লির সঙ্গে বৈঠকে বসে ওয়াশিংটন। গত ১৮ নভেম্বর উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে ভারত। এর পরেই প্রকাশ্যে আনা হল নিখিলের নাম। 
উল্লেখ্য, কানাডার মাটিতে খলিস্তানি জঙ্গি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ আনে কানাডা। যদিও এখনও সেই অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি, তবে ভারত ও কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতেই প্রকাশ্যে আসে পান্নুনকে খুনের ছক নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট। তবে ভারত বা আমেরিকা- কারও বিবৃতি বা বার্তাতে পান্নুনের নাম নেই।
[আরও পড়ুন: বিষ্ণু মন্দির বদলে যায় বৌদ্ধ মন্দিরে, বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্যের তকমা পেল আঙ্করভাট] 

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *