‘মোটা ভাই, ভোট নাই’, শাহি সভার পালটা তৃণমূলের পোস্টার-ব্যানারে ভরল কলকাতা

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ৯ বছর পর ফের ধর্মতলায় আজ অমিত শাহের সভা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহরে পা রাখার আগেই কলকাতাজুড়ে তৃণমূলের পোস্টার, ব্যানার। তাতে লেখা, “মোটা ভাই, ভোট নাই।” কেউ কেউ বলছেন, পোস্টার, ব্যানারে উল্লেখিত ‘মোটা ভাই’য়ের মাধ্যমে অমিত শাহকেই খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূল সে দাবি পালটা যুক্তিতে উড়িয়ে দিয়েছে। শাসক শিবিরের দাবি, গুজরাটিতে বড় ভাইকে ‘মোটা ভাই’ বলা হয়। আর অমিত শাহের জন্ম গুজরাটে। সুতরাং কটাক্ষ নয় বরং সম্মান দিতে একথা লেখা হয়েছে। 
বুধবার সকাল থেকেই মূলত মধ্য ও পূর্ব কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের দেওয়া পোস্টার, ব্যানার সকলের নজরে পড়ে। নাগেরবাজার মোড়, ফুলবাগান, কাঁকুড়গাছি, হাডকো, রাজারহাট, বিধাননগর স্টেশন, উল্টোডাঙা ফ্লাইওভার, ভিআইপি কানেক্টর, সল্টলেক বিকাশ ভবন, করুণাময়ী, বিধাননগর আজাদ হিন্দ, কলেজ মোড়, হাতিবাগান, শ্যামবাজার, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ক্রসিং, বিবেকানন্দ ক্রসিং, শোভাবাজার, বিবেকানন্দ রোড, রাজাবাজার মোড়, মৌলালি এস এন ব্যানার্জি রোড ক্রসিং, তালতলা মোড়, চাঁদনি চক মেট্রো, ডোরিনা ক্রসিং, হেঁদুয়া বিধান সরনি, সুকিয়া স্ট্রিট মোড়, রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রিট ক্রসিং, শ্রীমানি বাজার রবীন্দ্র সরনি, রাম মন্দির পেট্রল পাম্প, হ্যারিসন রোড, এমজি রোড, আমর্হাস্ট্র স্ট্রিট ক্রসিং, শিয়ালদহ স্টেশন, শিয়ালদহ ব্রিজ, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট এবং বউবাজার ক্রসিংয়ে এই পোস্টার এবং ব্যানার দেখা গিয়েছে। এছাড়া তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল ১০টার পর থেকে সোশাল মিডিয়ায় এই পোস্টার এবং ব্যানারও শেয়ার করার কথা। 

[আরও পড়ুন: ডিপফেকের ফাঁদে রশ্মিকা, আলিয়া! এই ৫ উপায়ে সুরক্ষিত থাকুন]
কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের বঞ্চনার অভিযোগে তৃণমূলের একুশের সমাবেশের জায়গায় বিজেপির সভা। সেই সভাস্থলে দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ পৌঁছনোর কথা অমিত শাহের। যদিও বিজেপির এই দাবিকে মানতে নারাজ তৃণমূল। লোকসভা ভোটকে পাখির চোখ করে বাংলায় অমিত শাহ আসছেন বলেই দাবি শাসক শিবিরের। “নির্বাচনী মটন খাওয়ার লোভে ভোটের ঠিক আগে আগেই সবার আনাগোনা শুরু হয়”, বলে X হ্যান্ডলে তোপ দাগেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য। 

আমাদের প্রত্যেকের চেনাজানা এমন কিছু আত্মীয় আছেন, যাদের বিপদে, আপদে, দুঃখে-কষ্টে পাশে পাওয়া যায় না। কিন্তু একবার ফোন করে বলুন, “বাড়িতে খাসির মাংস রান্না হচ্ছে”… দেখবেন, কি অনায়াসে সবাই চলে এসেছে!
বহিরাগত রাজনৈতিক নেতারাও এমনই। বাংলার বিপদে-আপদে এদের দেখা যায় না। উপরন্তু…
— Debangshu Bhattacharya Dev (@ItsYourDev) November 29, 2023

যদিও তৃণমূলের দাবি, বিজেপির শীর্ষস্তরের নেতা-মন্ত্রীদের বাংলায় ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ই সার হবে। লোকসভার ভোটবাক্স সেই নিরাশই করবে গেরুয়া শিবিরকে।
[আরও পড়ুন: পিয়া চক্রবর্তীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, কেমন আছেন পরম জায়া?]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *