নিজের প্রশ্ন নিজেই লিখবেন সাংসদ, মহুয়া বিতর্কের জেরে নিয়ম বদল সংসদে!

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন ইস্যুতে শোরগোল জাতীয় রাজনীতিতে। এই অভিযোগে বিদ্ধ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার পথে সংসদ (Parliament)। ইতিমধ্যেই এথিক্স কমিটি তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের সুপারিশে সিলমোহর দিয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে (Winter Session)। আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে এই অধিবেশন। আর মহুয়া বিতর্কের জেরেই এবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বের নিয়ম বদল হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে। এবার থেকে আপ্ত সহায়ক বা অন্য কেউ নয়, সাংসদ যে প্রশ্ন করতে চান, তা তাঁকে নিজেকেই টাইপ করতে হবে। এই নিয়ম আসতে চলেছে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে।
আদানি বিরোধিতায় টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে যত চাপ বেড়েছে, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদও (TMC MP) লড়াইয়ের মোকাবিলায় নিজেকে তত শক্তপোক্ত করে তুলেছেন। দুবাই থেকে পাসওয়ার্ড (Password) দিয়ে সাংসদের ইমেল অ্যাকাউন্টে লগ ইন হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এথিক্স কমিটির সামনে মহুয়া জানিয়েছিলেন, তাঁর বলে দেওয়া প্রশ্ন অন্য অফিসের এক কর্মীকে দিয়ে তিনি টাইপ করিয়েছিলেন। যতবার তিনি প্রশ্ন তৈরি করেছিলেন, ততবারই অ্যাকাউন্টে লগ ইন করে প্রশ্ন টাইপ করা হয়েছে। তাঁকে জ্ঞাতার্থেই সবটা হয়েছে বলে তিনি সংবাদমাধ্যমেও জানান।
[আরও পড়ুন: ‘স্যর, আমাকে বাঁচতে দিন’, ভারচুয়াল শুনানিতে কাতর আর্জি জ্যোতিপ্রিয়র]
আর এই পাসওয়ার্ড শেয়ার নিয়েই বেঁধেছে যত গোল। কেন সাংসদ নিজের ইমেল আইডি, পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে দিলেন? কেন বিদেশ থেকেও লগ ইন? এই প্রশ্ন জোরালো হওয়ার মাঝেই এবার সংসদে এই প্রশ্নের নিয়ম বদল হতে পারে বলে জোর জল্পনা। এনিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে, এবার থেকে সাংসদের প্রশ্ন অন্য কাউকে দিয়ে টাইপ করানো যাবে না। এমনকী আপ্ত সহায়কও সেই কাজ করতে পারবেন না। সাংসদ যে প্রশ্ন করতে চান, তা নিজেকেই লিখতে হবে। অথবা নিজের ইমেল অ্যাকাউন্ট লগ ইন করে নিজেকেই তা টাইপ করতে হবে। এই নিয়ম চালু হতে পারে। তবে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে।
[আরও পড়ুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার ‘মাস্টারমাইন্ড’-সহ ২]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *