ICC World Cup 2023: ফর্মে যেন নজর না লাগে, নাতি ‘ঘরে’ ফিরতেই প্রার্থনায় রাচীন রবীন্দ্রর দিদা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালন ডেস্ক: চলতি বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) উঠতি তারকা হিসাবে সকলের নজর কেড়েছেন। তার পরে বেঙ্গালুরুতে নিজের দাদু-দিদার বাড়িতে গেলেন নিউজিল্যান্ডের রাচীন রবীন্দ্র (Rachin Ravindra)। তরুণ তারকার দুরন্ত পারফরম্যান্সে যেন নজর না লাগে, সেই জন্য বিশেষ প্রথাও পালন করেন কিউয়ি তারকার দিদা। সেই মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। প্রসঙ্গত, চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন রাচীন।
বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) ম্যাচ ছিল। বেঙ্গালুরুতে সেই ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই নিজের পৈতৃক বাড়িতে যান রাচীন। ২৩ বছর বয়সি নাতিকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন তাঁর দিদা। শুরু করেন ‘নজর উতার’-এর প্রথা। ভালোবাসার মানুষের সাফল্যে কারও কুনজর যেন ছায়া ফেলতে না পারে, সেই জন্যই পালিত হয় এই বিশেষ প্রথা। মন্ত্র পড়ে, পুজো দিয়ে কুনজর সরিয়ে দেওয়া হয়। রাচীনের দিদা ‘নজর উতার’ করছেন, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।
[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের মাঝেই বিরাটের সঙ্গে সময় কাটাতে টিম হোটেলে অনুষ্কা, স্পষ্ট অভিনেত্রীর বেবি বাম্প]

Newzeland cricket player Rachin Ravindra at his grandparents home in Bengaluru. pic.twitter.com/bcGoVGHeRQ
— MTN KUMAR ಮಂಡ್ಯ… (@pourvanikumar) November 10, 2023

প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন রাচীন। তার পর থেকে স্বপ্নের ফর্ম চলছে কিউয়ি অলরাউন্ডারের। ব্যাটে-বলে সাফল্য পেয়েছেন। ভেঙেছেন শচীন তেণ্ডুলকরের রেকর্ডও। তবে রাচীনের ক্রিকেটযাত্রা শুরু হয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকেই। নিউজিল্যান্ডের নাগরিক হলেও নিয়মিত বেঙ্গালুরুতে এসে ক্লাব ক্রিকেট খেলতেন তরুণ অলরাউন্ডার।
তাঁর নাম নিয়েও রয়েছে মজার ঘটনা। ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাচীনের নামের সঙ্গে মিশে রয়েছেন ভারতের দুই কিংবদন্তি–রাহুল দ্রাবিড় ও শচীন তেণ্ডুলকর । রাহুলের ‘Ra’ এবং Sachin-এর ‘Chin’ মিলিয়েই Rachin। তাঁর বাবা এই দুই ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটারকে পছন্দ করতেন। সেই কারণেই ছেলের নাম রাখেন রাচীন। 
[আরও পড়ুন: চাই আইসিসির অনুদান, ক্রিকেট মাঠে ম্যাচের নামে পিকনিক! তুঙ্গে বিতর্ক]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *