সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাসকদলের মুখপাত্র। শুধু তাই নয়, শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পর্দা ফাঁস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, জনতার সামনে সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। সেই কথামতো শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বাবা তথা কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীর সম্পত্তি প্রকাশ্যে আনেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু তৃণমূলের সেসব প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে শুভেন্দু নজিরবিহীনভাবে কদর্য ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের উদ্দেশে। তাঁর সেসব ভাষা নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে দলের বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শাসকদলকে বিঁধতে গিয়ে প্রবল কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি। তাঁর নিশানায় ছিলেন মূলত তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এদিন বিরোধী দলনেতার মুখে যে আক্রমণের ভাষা শোনা গেল, তা কার্যত ছাপার অযোগ্য! তৃণমূল নেত্রীকে ‘উন্মাদ, অসংলগ্ন কথাবার্তা বলা’ ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করলেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, ”উনি শুভেন্দু আতঙ্কে ভুগছেন।” এমনকী তৃণমূল নেত্রীর জন্মবৃত্তান্ত নিয়েও তিনি কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করেন।
[আরও পড়ুন: ‘বাবাকে জিজ্ঞেস করুন শুভেন্দু’, অধিকারী পরিবারের সম্পত্তির ‘পর্দাফাঁস’ কুণালের]
উল্লেখ্য, একাধিক দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তা নিয়ে শাসকদলকে ক্রমশই বিরোধীদের কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে। তার মধ্যে বাড়তি ইন্ধন দিচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তা নিয়ে পালটা দিচ্ছে তৃণমূলও। এবার সরাসরি বিরোধী দলনেতা ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। শনিবার সম্পত্তির খতিয়ান সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছেন, এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যের প্রশ্নে জবাব দিতে হবে বিরোধী দলনেতাকে। কিন্তু সেসব ‘বিপজ্জনক’ প্রশ্ন এড়িয়ে উলটে কদর্য ভাষায় তৃণমূলকেই পালটা আক্রমণের রাস্তায় হাঁটলেন শুভেন্দু।
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেপালে মৃত অন্তত ১২৮, ফিরল ২০১৫-র ভয়াবহ স্মৃতি]
Source: Sangbad Pratidin
