‘তৃণমূল মারতে এলে পালটা মার দিন, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব’, হুঙ্কার সুকান্তর

ধীমান রায়, কাটোয়া: “তৃণমূল কংগ্রেস যদি মারতে আসে তাহলে পালটা মার দিন। পালটা মার না দিয়ে ফিরে আসবেন না। কেস দিলে হাই কোর্ট থেকে আমাদের ছেলেদের জামিন করিয়ে নিয়ে আসব। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব।” বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার দলীয় জনসভায় এভাবেই হুঙ্কার দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
এদিন সন্ধ্যায় কাটোয়ার পানুহাটের জনসভায় সুকান্ত মজুমদার দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা অনেক সহ্য করেছি। অনেক হয়েছে। আর মার খাবেন না। পালটা মার দিয়ে আসবেন। আপনার বাড়িতে আমি পৌঁছাব।”
[আরও পড়ুন: বান্ধবীকে দেওয়া ২১ লক্ষ টাকা নিজেই হস্তগত করেন কনস্টেবল মনোজিৎ! ACB-র তদন্তে নয়া তথ্য]
উল্লেখ্য, বিজেপি রাজ্যজুড়েই ‘আমার মাটি আমার দেশ’ কর্মসূচি নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ৩৪২টি ব্লকের প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকা এবং পুরসভাগুলির প্রতিটি ওয়ার্ড এলাকা থেকে তুলসিমঞ্চের মাটি নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে একটি বাগানে সেই মাটি মিশিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। সেই কর্মসূচি মেনেই এদিন কাটোয়ায় আসেন সুকান্ত মজুমদার। প্রথমেই তিনি কাটোয়ার বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন পুরচেয়ারম্যান অমর রামের বাড়িতে যান। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক সেরে কাটোয়ার সিঙ্গি গ্রামে পৌঁছান। তার পর কাটোয়ার ২০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ঘুরে সন্ধ্যায় পানুহাট ইদারাপাড়ে লুমলেস মাঠে দলীয় জনসভায় অংশ নেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল, বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘরুই-সহ বিজেপির জেলা নেতৃত্বরা।
বস্তুতপক্ষে বিগত লোকসভা ভোটে কাটোয়া বিধানসভা এলাকায় বিজেপি যথেষ্ট ভালো ফল করেছিল। তার আগেও ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির উল্লেখযোগ্যভাবে উত্থান দেখা গিয়েছিল। কিন্তু একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপি কাটোয়ায় সাংগঠনিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বিরোধী দল হিসাবে ততটা সক্রিয়তা দেখা যায় না। কর্মীদের অধিকাংশই নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলের খবর। এদিন দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বক্তব্য রাখতে শোনা যায় সুকান্ত মজুমদারকে।
[আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় নিয়ে বিস্ফোরণ ঘটালেন ইগর স্টিমাচ! কী বললেন?]

Source: Sangbad Pratidin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *