অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: বিয়ের সময় পণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল জলঙ্গীর এক মহিলার। অভিযোগ, অতিরিক্ত পণের জন্য চাপ দিত শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। তা মেটাতে না পারায় মহিলাকে খুন করা হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এই খবরে রবিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী ঘোষপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাড়ে তিনবছর আগে ফিরদৌসি খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় ঘোষপাড়া এলাকার মাসুম মোল্লার। বিয়ের পর থেকেই সংসারে পারিবারিক অশান্তি চলত। অতিরিক্ত পণের জন্য চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। তাঁদের একটি পুত্র সন্তানও আছে বর্তমানে। হঠাৎ শনিবার রাতে মেয়ে গলাই ফাঁস লাগিয়েছে বলে বাবার বাড়িতে খবর যায়। তাঁকে উদ্ধার করে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিরদৌসির পরিবারের লোকজন সরাসরি খুনের অভিযোগ করেছেন মেয়ের শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।
[আরও পড়ুন: ডিভোর্স চাইছিলেন ৮০ বছরের স্বামী, শুনেই গুলি চালিয়ে দিলেন ষাটোর্ধ্ব স্ত্রী]
দাবি করা হয়েছে, ওই ঘটনায় হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ নিয়ে চলে যাওয়ার ছক কষেছিল মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু কৌশলি চালেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতাল থেকে পুলিশকে খবর দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনজনকে আটক করেছে ডোমকল থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা।
[আরও পড়ুন: ‘৩ মাস ধরে ধর্ষণ করেছে বাবা’, নারকীয় যন্ত্রণা সইতে না পেরে গুলি করে খুন করল কিশোরী!]
Source: Sangbad Pratidin
